Congratulations! :)
Good morning, have a nice day! :)
স্বার্থবাদী মিডিয়া যুবলীগের সন্ত্রাসীদের বাঁচাতে মরিয়া
'যুবলীগ সন্ত্রাসীরা দক্ষিণ গেটের ফুটপাতে বন্ধ থাকা ইসলামী বই ও কোরআন শরীফের দোকানে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়। এছাড়া তারা ১৫-২০টি জুতার দোকানেও তারা একইভাবে আগুন দেয়। সংঘর্ষ পরিস্থিতির কারণে রোববার বন্ধ ছিলো ফুটপাতের এসব দোকান। মোড়ানো ছিলো পলিথিন দিয়ে। আগুনের ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে গোটা এলাকা। প্যান্ট-গেঞ্জির দোকান ছাড়াও এসময় পুড়ে যায় কোরআন শরীফসহ বিভিন্ন ধর্মীয় পুস্তকের দোকান।'
News Link[ http://www.dailyinqilab.com/details_news.php?id=106839&&+page_id=+5 ]
স্টাফ রিপোর্টার : মার্কিন পাদ্রী টেরী জোনস ২০১০ সালে পবিত্র কুরআনে আগুন দেয়ার ফলে বিশ্বের মুসলমানদের হৃদয়ে ক্ষতের সৃষ্টি করে। নানা দেশের মতো প্রতিবাদে ফেটে পড়ে বাংলাদেশের ধর্মপ্রাণ মুসলমানরাও। আর বাংলাদেশে সেইসব প্রতিবাদ বিক্ষোভে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন হেফাজতে ইসলামের সাথে যুক্ত হাক্কানী আলেম ও তাদের সমর্থকরা।
অথচ মাত্র তিন বছর পর এ বাংলাদেশেই টেরী জোনসের সেই একই নাটক মঞ্চস্থ হয়েছে। কিন্তু এবার পটভূমি ভিন্ন। সাম্রাজ্যবাদী শক্তির আজ্ঞাবহ এদেশি স্বার্থবাদী কিছু মিডিয়া এ ঘটনার নায়ক যুবলীগ সন্ত্রাসীদের বাঁচাতে মরিয়া। শুধু তাই নয়, তারা এর দায় চাপাতে চাচ্ছে খোদ আলেম ওলামাদের সংগঠন হেফাজতে ইসলামের উপর।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গত রোববার বাদ আসর বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেট দিয়ে বেরিয়ে আসছিল মুসল্লিরা। এসময় পূর্ব থেকেই সেখানে অবস্থান নেয়া যুবলীগ সন্ত্রাসীরা মুসল্লিদের মধ্যে যাদেরকে মাদ্রাসা শিক্ষার্থী কিংবা আলেম মনে হয়েছে, তাদেরকেই লাঠিসোঁটা দিয়ে বেধরক পেটাতে থাকে। পুলিশ এসময় সন্ত্রাসীদের পাশে নীরব দাঁড়িয়ে থাকে। জীবন বাঁচাতে মরিয়া মুসল্লিরা এ অবস্থায় আর দক্ষিণ গেট মারাননি।
ঠিক তখনই ঘটে চরম অঘটন। যুবলীগ সন্ত্রাসীরা দক্ষিণ গেটের ফুটপাতে বন্ধ থাকা ইসলামী বই ও কোরআন শরীফের দোকানে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়। এছাড়া তারা ১৫-২০টি জুতার দোকানেও তারা একইভাবে আগুন দেয়। সংঘর্ষ পরিস্থিতির কারণে রোববার বন্ধ ছিলো ফুটপাতের এসব দোকান। মোড়ানো ছিলো পলিথিন দিয়ে। আগুনের ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে গোটা এলাকা। প্যান্ট-গেঞ্জির দোকান ছাড়াও এসময় পুড়ে যায় কোরআন শরীফসহ বিভিন্ন ধর্মীয় পুস্তকের দোকান।
এসময় সেখানে বেশ কয়েকজন সাংবাদিক এবং সেই দোকানগুলোর দু’একজন মালিকও উপস্থিত ছিলেন। কিন্তু অস্ত্র হাতে দাড়িয়ে থাকা সন্ত্রাসী এবং পুলিশের ভয়ে কেউ প্রতিবাদের সাহস পায়নি।
এদিকে গতকাল বিএনপি’র সংবাদ সম্মেলনে এ ব্যাপারে বলা হয় যে, বায়তুল মোকাররম মসজিদে অবস্থিত বই এর দোকানে আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা দেবাশীষের নেতৃত্বে লুটপাট এবং পবিত্র কোরান শরীফসহ ধর্মীয় গ্রন্থসমূহে অগ্নিসংযোগ করা হয়। যা বিভিন্ন ইলেকট্রনিক মিডিয়ার খবরে দেবাশীষের ছবিসহ প্রচার করা হয়েছে। দুঃখজনক হলেও সত্য যে, বাস্তব প্রমাণ সত্ত্বেও উক্ত ঘটনা হেফাজতে ইসলাম করেছে বলে অপপ্রচার চালিয়ে জাতিকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
আর এরপরই সাম্রাজ্যবাদী শক্তির আজ্ঞাবহ এদেশি স্বার্থবাদী কিছু মিডিয়া এ ঘটনার নায়ক যুবলীগ সন্ত্রাসীদের বাঁচাতে মাঠে নেমে পড়ে। ইসলামের সাথে যুক্ত কোন বিষয়ে যারা সর্বদাই নিরাসক্ত এখন ঢালাওভাবে হেফাজতের ঘাড়ে দোষ চাপিয়ে নাস্তিকদের রক্ষা করার চেষ্টায় লিপ্ত সেই মিডিয়াগুলো। কিন্তু তারা এসব সংবাদে একটি প্রমাণও উপস্থাপন করছে না। পত্রিকা এবং টেলিভিশনে এ ঘটনার ফুটেজ দেখে অপরাধীদের বের করারও কোন চেষ্টা দেখা যাচ্ছে না সংশ্লিষ্টদের। অথচ বেশ কয়েকটি টিভি চ্যানেলে পল্টন এলাকায় জিন্সের প্যান্ট ও গেঞ্জী পরিহিত এবং হেলমেট মাথায় দেয়া লম্বা শারিরীক গঠনের কয়েক যুবককে হাতে পেট্রোলের বোতল নিয়ে বইয়ের দোকানগুলোতে আগুন দেয়ার ফুটেজ প্রচার করা হয়েছে।
অপরদিকে সরকারও হেফাজতের ঘাড়ে এ ঘটনার দায় চাপানোর জন্য পুরো মতিঝিল, পল্টন এবং বিজয়নগরের পোড়া সামগ্রী এবং আবর্জনা পরিষ্কার করে ফেললেও গতকাল বিকেল পর্যন্ত আগুনে পোড়া কুরআনের অবশিষ্টাংশ রেখে দেয়। আবার বিভিন্ন টিভি মিডিয়াকে আমন্ত্রণ করে এনে সংবাদ তৈরি করতে থাকে। সেখানে এমনসব লোকের মতামত নিতে থাকে যারা ঘটনার সময় সেখানে উপস্থিত ছিল না। এর মাধ্যমে ঐসব মিডিয়া আলেমদের বিরুদ্ধে জনগণকে খেপিয়ে তোলার অপচেষ্টা করে যাচ্ছে।
Every child should have the right to education. Not just education but PROPER education. Not the kind of which is given in most of the public schools.
Pray for #Bangladesh <3!
Share it :)
#SOS ALLAH #Bangladesh
Current Situation #Bangladesh! Share if you agree.
মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় আওয়ামী সন্ত্রাসীদের গুলিবর্ষণ............
পুরনো নেকড়ে আবার বাংলার বুকে...
এইভাবে মানুষ হত্যা করে তাদের পুরনো চেহারায় ফিরেছে হায়েনারা...
There's no time bar or age bar for Education
Few or almost all our so called ministers need this ! Share and comment !
Ms. Admiral General Aladeen is in the house!
Keep Calm and Stay Indoor! Too hot outside
Commonsense less, সাভারে ভবন ধসে ঘটনায় ধংসস্তুপের নিচে আটক পড়া জীবিত মানুষের ইন্টারভিউ নিতে গিয়ে অনেক টিভি সাংবাদিক বিবেক বর্জিত আচরণ করে সমালোচিত হয়েছেন। আজকে জুরাইন কবরস্থানে পায়ে জুতা পরে কবরের ভিতর নেমে লাইভ করছেন এক রিপোর্টার। দৃশ্যটি দেখে আমি মারাত্মক বিষ্মিত। আমাদের দেশে টিভি সাংবাদিকরা পারলে কবরে মাইক্রোফোন ঢুকিয়ে মৃতদেহকেই জিজ্ঞেস করে বসে 'আপনার অনুভূতি কী?'
এই দেখেন দেশের কিছু সাংবাদিকের নমুনা। একেবারে কবরে নেমে নিউজ করতেছে। এই আচরণকে আপনারা কি বলবেন?
এদেরকে এখন বলার সময় এসেছে, 'ভাই, আল্লাহরওয়াস্তে এ্যালা থামেন।'
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ট্রেনে সিট না পেয়ে দাঁড়িয়ে অফিসে যাচ্ছেন।
আর আমাদের বেলায় এক বার ভেবে দেখেনতো।
গত ২৮ এপ্রিল, ২০১৩ থেকে ঢাকা - বরিশাল রুটে "বে - ক্রুজার" নামে একটি সুপার ফার্স্ট এক্সপ্রেস প্যাসেঞ্জার ভেসেল চালু হয়েছে! ঢাকা থেকে বরিশাল যেতে এটি সময় নিবে ম্যাক্সিমাম ৫ ঘণ্টা। অত্ত্যধুনিক এই নৌযানটিতে অডিও - ভিডিও ইকুয়েপমেনট, এল. সি. ডি. টিভি, ক্যান্টিন ইত্যাদি ফ্যাসিলিটি রয়েছে । টোটাল যাত্রী ধারন ক্ষমতা ২৫২ জন ।
টিকেট মূল্যঃ
ফার্স্ট ক্লাসঃ ১২০০/-
সেকেন্ড ক্লাসঃ ১০০০/-
ইকনমি ক্লাশঃ ৮০০/-
সময়সূচীঃ
বরিশাল টু ঢাকা - বরিশাল টার্মিনাল - সকাল ৭.৩০ ।
ঢাকা টু বরিশাল - সদরঘাট টার্মিনাল - দুপুর ২.০০ ।
প্রধানমন্ত্রীর প্রতি বিরোধী দলীয় নেত্রীর আহ্বান
আলোচনার মাধ্যমে সংকট নিরসনে উদ্যোগ নিন
১৮ দলীয় জোটের আগামীকালের হরতাল স্থগিত ; 'আলোচনার শেষ সুযোগ গ্রহণ করুন'
বিরোধী দলীয় নেত্রী বেগম জিয়া কে অসংখ্য ধন্যবাদ। আমরা রাজনীতিবিদদের কাছ থেকে এ ধরনের পজিটিভ রাজনীতি আশা করি।
ভবন ধস: বিদেশিদের সহায়তা প্রত্যাখ্যান বাংলাদেশের
ধসে পড়া ভবনের ধ্বংসস্তূপে আটকে থাকা লোকজনকে উদ্ধারে ব্রিটেনসহ বিভিন্ন দেশের সহায়তার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে বাংলাদেশ। সোমবার ব্রিটেনের একটি সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
ওই সূত্র জানায়, গত বুধবার (২৪ এপ্রিল) সাভারে আটতলা ভবন রানা প্লাজা ধসের ঘটনায় ৩৭০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়। দুর্বলভাবে সজ্জিত স্থানীয় উদ্ধারকর্মীরা ধ্বংসস্তূপের পাহাড়ে তন্ন তন্ন করে খুঁজছেন জীবিতদের।
কূটনৈতিক বিভিন্ন সূত্র জানায়, দুর্যোগ কার্যক্রমে অভিজ্ঞ উদ্ধারকারী দল সরবরাহের লক্ষ্যে বিদেশিদের প্রস্তাব গত সপ্তাহে প্রত্যাখ্যান করা হয়। যদিও এ সহায়তা নিলে আরো প্রাণ রক্ষা করা সম্ভব হতো।
এ সংক্রান্ত নথি হাতে পেয়েছে ওই সূত্র। নথিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের পররাষ্ট্র ও স্বরাষ্ট্র উভয় মন্ত্রণালয় থেকে সহায়তা প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে। কারণ তারা আশঙ্কা করছিলেন, এ প্রস্তাব গ্রহণ করলে তাদের জাতীয় অহংকার ভুলুণ্ঠিত হবে। নথিতে বাংলাদেশি কর্মকর্তাদের সহায়তা গ্রহণে সম্মত করাতে কূটনৈতিক তৎপরতার কথা বলা হয়েছে।
বিপুলসংখ্যক মানুষ ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে আছে, বিষয়টি জানতে পেরে পশ্চিমা কূটনীতিকদের সঙ্গে আলোচনায় বসে জাতিসংঘ। কার্যকর উদ্ধার অভিযান চালাতে বাংলাদেশের যথাযথ সামর্থ্য (যন্ত্রপাতি ইত্যাদি) আছে কি না, সে ব্যাপারে তারা আলোচনার পর সামর্থ্য নেই বলে সিদ্ধান্তে পৌঁছান তারা। এরপর ব্রিটেনসহ বেশ কয়েকটি দেশের সরকার উদ্ধারকারী দল ও ভারী উত্তোলন যন্ত্রপাতি দিয়ে সাহায্য করার প্রস্তাব নিয়ে আসে।
একজন কর্মকতা এ ব্যাপারে বলেন, “জাতিসংঘ জানিয়ে দিয়েছে, ব্রিটেনসহ আন্তর্জাতিক মহল অনুসন্ধান ও উদ্ধার তৎপরতায় সহযোগিতার জন্য প্রস্তুত। কিন্তু তা প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে।”ু
ব্রিটেনের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন বিভাগের এক মুখপাত্র নিশ্চিত করেছেন, তারা বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ দিতে চাইলেও বাংলাদেশ তা প্রত্যাখ্যান করেছে।
বর্তমানে কোনো সতর্কতামূলক পোশাক ছাড়া প্লাস্টিকের স্যান্ডেল পরেই কাজ উদ্ধার কাজ চালাচ্ছেন স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকরা। এমনকি ধ্বংস্তূপে আটকেপড়া এক নারী শ্রমিকের হাত কেটে তাকে উদ্ধার করার দায়িত্ব এক স্বেচ্ছাসেবী গার্মেন্টস শ্রমিককে দিয়েছিলেন ডাক্তাররা। দিনের বেলা ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় বেঁচে থাকার জন্য আটকদের কেউ কেউ নিজেদের প্রস্রাব পান করতে বাধ্য হয়েছেন।
এছাড়া আটক পড়া শ্রমিকদের স্বজনেরা অভিযোগ করেছেন, সরকার দ্রুত উদ্ধার কাজ শেষ করে দিতে যাচ্ছে। ৭২ ঘণ্টার বেশি কারও বেঁচে থাকার সম্ভাবনা নেই চিন্তা করে ধ্বংসস্তূপ সরানোর জন্য শনিবার থেকেই ভারী যন্ত্রপাতি ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন কর্মকর্তারা। তবে জনগণের তোপের মুখে এ সিদ্ধান্ত আরও পেছানো হয়। ফলে এরই মধ্যে জীবিত অবস্থায় আরও অনেককে উদ্ধার করা হয়েছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব সি কিউ কে মুশতাক আহমেদ এ ব্যাপারে সূত্রকে জানান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী একটি প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছেন বলে তার কানে এসেছে, কিন্তু এ ব্যাপারে বিস্তারিত কিছু জানেন না। তিনি বলেন, “আমি শুনেছি মন্ত্রী বলেছেন, এর কোনো প্রয়োজন নেই।”
প্রসঙ্গত, ভবনের মালিক স্থানীয় যুবলীগ নেতা সোহেল রানাকে রোববার সীমান্তবর্তী এলাকা বেনাপোল থেকে গ্রেফতার করা হয়। ভবন ধসে পড়তে পারে- প্রকৌশলীদের এমন সতর্কবাণী উপেক্ষা করে তিনি শ্রমিকদের কারখানায় ফিরে যেতে বাধ্য করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
সাভার ট্রাজেডির হোতা সোহেল রানার আগে তার সৃস্টিকর্তা এবং মদদদাতা স্থানীয় এমপি গডফাদার মুরাদ জংকে এরেস্ট করা উচিত। তার প্রশ্রয়েই রানা প্রতিনিয়ত আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখাতো।
ছবিতে দেখেন তাদের সম্পর্ক কেমন ছিল।
এমপি মুরাদ চুমু খাচ্ছে সোহেলের কোপালে।
Great initiative!! Those who live nearby Bashundhara & want to donate blood please visit Grameen Phone's Head Office!
সবাইকে জানিয়ে দিন শেয়ার করে.....
সব দুর্নীতিবাজ রাজনীতিবিদদের বাড়ী 'রানা'কে দিয়ে বানানো হোক...!!!
এবং তাদের পরিবারের লোক ছাড়া যেন কোনও সাধারন মানুষ না থাকে।
‘বৈশাখে মানুষ আম কুড়ায় আনন্দে আর আমরা কুড়াচ্ছি মানুষ’ ....!!!