আমাদের পেজের একজন নিয়মিত ডোনার Mr. Alton Goswami ভাই।
উনি একজন গরীব মাকে রক্ত দিয়ে বাঁচান।
সেই রক্ত দান মুহূর্তের ছবি।
আপনারাও রক্ত দিন।
”তুচ্ছ নয় রক্ত-দান, বাঁচাতে পারে একটি প্রাণ”
আপনাদের রক্ত দানের ছবি বা অভিজ্ঞতা আমাদেরকে লিখে পাঠাতে পারেন আমরা পেজ থেকে প্রকাশ করব।
তা দেখে অনেকে উৎসাহিত হবে :)
শুভ সকাল :)
সকালটা শুরু হোক জানার মাধ্যমে।
নিজে জানুন অন্যকে জানান-
মাথাব্যথা করছে? একটা আপেল খেয়ে নিন। এ্যাসপিরিনের বিকল্প হিসাবে কাজ করবে। কথাটা এত সহজে বলার পিছনে একটি কারণ রয়েছে। আপেলে রয়েছে এমন একট রাসায়নিক যৌগ যা এ্যাসপিরিনের ব্যথানাশক উপাদান। আর সেটি হলো সেলিসাইলেট বা সেলিসাইলিক এ্যাসিড। সেলিসাইলেট একটি এ্যান্টিননফ্লামেটরি যৌগ।
শুধু ব্যথানাশক হিসাবেই নয়, অন্ত্রের ক্যান্সার, এ্যাথেরোস্ক্লেরোসিস রোধ করতে ও এর ভূমিকা রয়েছে। আপেল ছাড়াও বেরি জাতীয় ফল আর শাকসবজিতেও সেলিসাইলেট পাওয়া যায়। এছাড়া আপেলকে বলা হয় প্রাকৃতিক টুথ ব্রাশ। খাবারের শেষে দাঁত ব্রাশ সম্ভব না হলে বিকল্প হিসেবে আপেল খেতে পারেন।
[আপেলটা বড় করে দেখুন, এরপর ছবিটা বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন অথবা ট্যাগ করে দিন, বন্ধুরা অবশ্যই খুশি হবে]
কার্টেসি- স্বাস্থ্য বিষয়ক টিপস
খুবই প্রয়োজনীয় একটা চার্ট ....দেখুন তো আপনার উচ্চতার সাথে আপনার শরীরের ওজন ঠিক আছে কিনা ?
আপনি যদি আজকে অপরের তরে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন, তবে আপনার বিপদের মুহূর্তেও কারো সহায়তা প্রত্যাশা করতে পারেন।
আপনি হয়তো নিজেও বুঝতে পারবেন না, আপনার কোন ভালো কাজটির উপর খুশী হয়ে সৃষ্টিকর্তা আপনাকে উত্তম প্রতিদান দিবেন। হয়তো, অসহায় কারো প্রতি আপনার সহায়তার হাত প্রসারিত করার কারনে সৃষ্টিকর্তা আপনাকে কঠিন কোন বিপদ থেকেও রক্ষা করে দেবেন।
তরমুজ সম্পর্কে নিজে জানেন অন্যকে জানানঃ
গরমে শরীর ঠান্ডা রাখতে তরমুজের জুড়ি মেলা ভার। তরমুজের নানান রকম উপকারিতা রয়েছে। এই ফলে শতকরা প্রায় ৯২ ভাগ পানি আছে। তাই তরমুজ খেলে সহজেই পানির তৃষ্ণা মেটে। তরমুজের বিশেষ কয়েক ধরনের অ্যামাইনো এসিড নাইট্রিক অক্সাইড তৈরি করে রক্তের স্বাভাবিক কার্যপ্রণালী বজায় রাখে। উচ্চরক্তচাপ স্বাভাবিক থাকে। তরমুজে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ আছে। এতে বিটা ক্যারোটিনের পরিমাণও অনেক। বিটা ক্যারোটিন চোখ ভালো রাখে।
প্রতিদিন ২ কাপের মতো তরমুজ খেলে শরীরে ভিটামিন এ-র চাহিদা পূরণ হয়। তরমুজ খেলে ত্বক উজ্জ্বল ও সুস্থ থাকে। কারণ ভিটামিন এ ত্বককে ইনফেকশন থেকে রক্ষা করে। তরমুজের ভিটামিন বি৬, ভিটামিন বি১ শরীরে এনার্জি তৈরিতে সাহায্য করে। এর ভিটামিন সি কোলাজেন গঠনে সাহায্য করে। প্রতিদিন দুই কাপ পরিমাণ তরমুজ খেলে শরীরে ৩০ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি-র চাহিদা মেটে। তরমুজে আরও আছে পটাশিয়াম, যা উচ্চরক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে। কিডনিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকিও কমায়। পটাশিয়াম শরীরে ফ্লুইড ও মিনারেলসের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। ২ কাপ তরমুজে ৩৫০ মিলিগ্রাম পটাশিয়াম পাওয়া যায়। পরিমাণে কম হলেও তরমুজে সোডিয়াম রয়েছে। এছাড়াও আছে থায়ামিন ও ম্যাগনেসিয়াম। অ্যান্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ তরমুজ শরীর সতেজ রাখে। এতে ফ্রি র্যাডিকেলস প্রশমিত হয়। ফ্রি র্যাডিকেল রক্তনালীতে কোলেস্টেরলের স্তর তৈরি করে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বাঁড়ায়। এর থেকে অ্যাজমাও বৃদ্ধি পেতে পারে। হাড়ের জোড়ায় ব্যথা বাড়ে। সবুজ খোসাসহ তরমুজ ক্যানসার রোগীদের জন্য খুবই আদর্শ। অ্যাজমা, ডায়াবেটিসের মতো রোগে ব্যথা উমশমে তরমুজ সাহায্য করে। তরমুজের বিঁচি অন্ত্রের জন্য উপকারী।
ভালো লাগলে শেয়ার করতে পারেন।
ধন্যবাদ সবাইকে।।
সম্ভব হয়ে এগিয়ে আসুন।
ছবিটি শেয়ার করুন সবাই।
সুন্দরবনকে বাঁচাতে চাই!!
১. যুক্তরাষ্ট্রের এক মরুভূমিতে অবস্থিত এই কয়লাভিত্তিক পাওয়ার প্ল্যান্টটি ২০০৫ সাল থেকে বন্ধ আছে পরিবেশগত ক্ষতির কারণে। সবচাইতে আধুনিক প্রযুক্তির কয়লাবিদ্যুত প্রকল্পও তেল-গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুতকেন্দ্রের তুলনায় কয়েকগুণ বেশি ক্ষতি করে।
২.রামপাল থেকে পৃথিবীর বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনের দূরত্ব মাত্র ১০ কিমি। প্রতিবেশগতভাবে বিপন্ন এলাকার সীমা থেকে মাত্র ৪ কিমি। পৃথিবীর এই মহামূল্যবান সম্পদকে এতবড় ঝুঁকিতে ফেলে আমরা কী করে রামপালে কয়লা-বিদ্যুৎ প্রকল্পের সিদ্ধান্ত নিতে পারলাম?
ভারত আমাদের বন্ধুরাষ্ট্র। ত্রিপুরায় এক বিদ্যুতকেন্দ্রের যন্ত্রপাতি পৌঁছানোর সুবিধার্থে আমরা আমাদের তিতাস নদী ভরাট করে রাস্তা বানিয়ে দিয়েছিলাম। শুধু নিলেই কি বন্ধুত্ব টেকে? দিতেও হয়। ভারত প্রায় ১০০ গিগাওয়াট বিদ্যুত উৎপাদন করে কয়লা পুড়িয়ে। মাত্র ১ থেকে ১.৩ গি.ও বিদ্যুতের জন্য তাহলে রামপালে পাওয়ার প্ল্যান্ট নির্মাণ করা কেন?
রামপালে বাংলাদেশ যে অর্থ বিনিয়োগ করবে, তার চেয়ে কম অর্থ দিয়ে ভারতের বর্তমান প্রায় ১০০গি.ওয়াট এর সাথে আরও ২-৩ গিগাওয়াট বিদ্যুত উৎপাদনের সামর্থ্য বাড়িয়ে সেখান থেকে আমদানী করা হোক। ভারত-বাংলাদেশ গ্রিড কানেক্টিভিটি চুক্তি ২০১০ সালেই সম্পাদিত হয়েছে। ভারতের তুলনায় বাংলাদেশের জনসংখ্যার ঘণত্ব প্রায় দ্বিগুণ বলে জনস্বাস্থ্য ও কৃষিতে ক্ষতির পরিমাণও অনেক বেশি হবে এই ধরণের প্রকল্প বাংলাদেশের যেকোন জায়গায় বাস্তবায়িত হলে।
সুন্দরবন যে কেবল ভয়ঙ্কর সুন্দর বেঙ্গল টাইগার, চিত্রা হরিণ আর অসংখ্য প্রজাতির প্রাণীর বসতবাড়ি তাই নয়, সুন্দরবনকে ঘিরে আমাদের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডও কম নয়। তাছাড়া সুন্দরবন আমাদের বিভিন্ন দুর্যোগ থেকে বাঁচায়। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন, এবার আপনি সুন্দরবনকে ধংসের হাত থেকে বাঁচান। রামপালে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুত উৎপাদনের জয়েন্ট ভেঞ্চার পুনর্বিবেচনা করুন। প্লিজ।
-তানিম আশরাফ।
লেবু (Lemon, Lime)
পুষ্টিগুণ: ভিটামিন সি সমৃদ্ধ একটি টক জাতীয় ফল।
ঔষধিগুণ: লেবুর রস মধুর সাথে অথবা লেবুর রস লবন বা আদার সাথে মিশিয়ে পান করলে ঠান্ডা ও সর্দি-কাশি উপশম হয় এবং যেকোন ক্ষত শুকায়।
শ্রেষ্ঠ কোমল পানীয় ডাবের পানি।
বাড়ছে গরমের তীব্রতা। আর এই তীব্রতা থেকে রক্ষা পেতে অনেকেই বিভিন্ন বোতলজাত কোমল পানীয় এবং এনার্জী ড্রিংকস হাতে তুলে নিচ্ছে। অনেকে আবার অবাধে রাস্তার খোলা পরিবেশে বানানো বেল ও লেবুর শববতের গ্লাসে চুমুক দেন। কিন্তু কম দামে সবচেয়ে নিরাপদ কোমল পানীয় হলো ডাবের পানি। শুধু তৃষ্ণা মেটাতে নয় এর পুষ্টিগুণ সর্বজন স্বীকৃত।
ডায়ারিয়া বা যেকোনো ধরনের পানি স্বল্পতা পূরণে খাবার স্যালাইনের পরিবর্তে ডাব পান করা যায়। দুধের পরেই এর অবস্থান। এছাড়া স্নায়ুবিক দুর্বলতা দূর করে মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করে। ডাবের পানিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে সোডিয়াম ক্লোরাইড ও শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় অন্যান্য পুষ্টি। এতে পটাশিয়াম আছে প্রচুর পরিমাণে।
এতে পানির পরিমাণ প্রায় ৯৪ শতাংশ। তাই ত্বকের সৌন্দর্য রক্ষায়, পুরো দেহের শিরা-উপশিরায় সঠিকভাবে রক্ত চলতে সাহায্য করে। কারণ, পানি বেশি পান করলে কিডনির কাজ করতে সুবিধা হয়, দেহে অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্তের সরবরাহ বাড়ে, ত্বকসহ প্রতিটি অঙ্গে পৌঁছায় বিশুদ্ধ রক্ত। ফলে পুরো দেহ হয়ে ওঠে সতেজ ও শক্তিশালী।
এতে কোনো চর্বি বা কোলেস্টেরল নেই। প্রচুর পরিমাণে খনিজ উপাদান থাকার জন্য বাড়ন্ত শিশু থেকে শুরু করে বৃদ্ধ পর্যন্ত সবার জন্য ডাবের পানি যথেষ্ট উপকারী। তারুণ্য ধরে রাখতে ডাবের পানি যথেষ্ট উপযোগী। এতে চিনির পরিমাণও অল্প।
তবে ডায়াবেটিসের রোগীরা ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রেখে ডাবের পানি খাবেন। কিডনিতে পাথর হয়েছে বা ডায়ালাইসিস চলছে, এ ধরনের রোগীরা এই ফল খাবেন না। কারণ, এতে রয়েছে উচ্চমাত্রার পটাশিয়াম, যা কিডনি রোগীদের জন্য ক্ষতিকর।
●► LIKE / SHARE / RATE / COMMENT ◄●
"মুটিয়ে যাবার বিপদ অনেক"
আপনি কি মুটিয়ে যাচ্ছেন? বিশেষ করে আপনার উদর বা ভুঁড়ি কি স্ফীত হচ্ছে? আপনার কোমরের ব্যাসার্ধ (পুরুষ হলে) কি ৯৪ সে.মি. এবং (মেয়ে হলে) কি ৮০ সে.মি.-এর বেশি? ইদানীং আহারের পর কি বেশ ক্লান্তি বোধ করছেন? চিন্তা-চেতনাগুলো কি ভোঁতা হয়ে যাচ্ছে? মেজাজ কি খিটমিটে হচ্ছে? হঠাত্ কি রেগে যাচ্ছেন?
আচ্ছা আপনার রক্তচাপ মেপে দেখুন তো। রক্তচাপ কি ১৪০/৯০ মি.মি. পারদের বেশি? এবার সকালে অভুক্ত অবস্থায় রক্তের সুগার, লিপিড প্রোফাইল (কোলেস্টেরল) এবং ইউরিক অ্যাসিড চেক করুন তো। হায় কপাল! সুগারও বেড়ে গেছে? সেই সঙ্গে বেড়েছে রক্তের খারাপ কোলেস্টেরল তথা এলডিএল ও ট্রাইগ্লিসারাইড এবং কমে গেছে বন্ধু বা উপকারী কোলেস্টেরল তথা এইচডিএল। রক্তের ইউরিক এসিডও কি বেড়ে গেছে?
যদি উপরের ব্যাপারগুলোর যে কোনো দুটি বা তিনটি অথবা সবই আপনার মধ্যে বিদ্যমান থাকে তাহলে আপনি বর্তমান সভ্যতার এক মারাত্মক এপিডেমিক বা মহামারিতে ভুগছেন। এ মহামারিটির নাম মেটাবোলিক সিনড্রোম বা সিনড্রোম এক্স।
নিজের দেহে এই সিনড্রোম তৈরিতে আপনি নিজেই সক্রিয় হাওয়া দিয়েছেন। হাওয়া দিয়েছেন তিনবেলা পেট ভরে ভাত খেয়ে। প্রচুর মিষ্টি, কেক, পেস্ট্রি, আইসক্রিম, রুটি, জেলি, মাংস, মাখন, ফাস্টফুড খেয়ে। অপরিণামদর্শীর মতো প্রচুর পেপসি-কোলা পান করে। খাদ্য তালিকায় মোটেও শাকসবজি, ফলমূল রাখেননি বলে। আর সেই সঙ্গে অলস জীবনযাপন করেছেন বলে।
আপনি প্রতিনিয়ত অতিরিক্ত কার্বোহাইড্রেট বা শর্করাজাতীয় খাবার খেয়েছেন বলে আপনার রক্তে সুগারের পরিমাণ বেড়ে গেছে স্থায়ীভাবে। আর এই বাড়তি সুগার হ্যান্ডেল করতে ইনসুলিনও নিঃসরণ হয়েছে প্রচুর। সেই অতিরিক্ত ইনসুলিন প্রতিনিয়ত বৃদ্ধিপ্রাপ্ত রক্তের সুগারকে পোড়াতে না পেরে সৃষ্টি হচ্ছে ইনসুলিন রেসিস্টেন্সের। ফলে আপনি হচ্ছেন ইনসুলিন রেসিস্টেন্স তথা টাইপ-২ ডায়বেটিসে আক্রান্ত।
নিয়মিত না হেঁটে, খেলাধুলা না করে অলস জীবনযাপন করছেন বলে আপনার রক্তের সুগার কমছে না। আপনি মুটিয়ে যাচ্ছেন। রক্তচাপ ও রক্তের খারাপ কোলেস্টেরল বেড়ে যাচ্ছে। আপনি ঝুঁকির সন্মুখীন হচ্ছেন—ডায়বেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক ও ক্যান্সারের মতো কয়েকটি মারাত্মক ব্যাধির।
মেটাবোলিক সিনড্রোম থেকে পরিত্রাণ পেতে হলে—
—নিয়মিত ব্যায়াম করুন, অন্তত ঘণ্টায় তিন মাইল বেগে ৩০ মিনিট হাঁটুন।
—উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখুন।
—ওজন কমান।
—খাদ্য তালিকায় পরিবর্তন আনুন।
—যে খাবারগুলো পরিহার করবেন সেগুলো হচ্ছে—অতিরিক্ত ভাত, রুটি, কেক, পেস্ট্রি, মিষ্টি, আইসক্রিম, জেলি, ক্রেকারস, কোমল পানীয়, ফাস্টফুড, চতুষ্পদ প্রাণীর মাংস যেমন—গরু, মহিষ, ছাগল, ভেড়া। আরও বাদ দেবেন মগজ, কলিজা, ডিমের কুসুম, ঘি, মাখন, ভেজিটেবল অয়েল তথা ডালডা, মারজারিন, গলদা চিংড়ি, আলগা লবণ ইত্যাদি।
—বেশি খাবেন শাকসবজি, ফলমূল, ছোট মাছ, সামুদ্রিক মাছ, সয়াবিন, সূর্যমুখী তেল, পেঁয়াজ, রসুন ইত্যাদি।
আসুন স্বাস্থ্য সচেতন হয়ে সঠিক জীবন পদ্ধতি অবলম্ব্বন করে মেটাবোলিক সিনড্রোম বা সিনড্রোম এক্সের মতো মারাত্মক অবস্থা থেকে পরিত্রাণ লাভ করি।
সুত্র- ইন্টারনেট।
কার্টেসি- স্বাস্থ্য তথ্য।
শেয়ার করে বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।
*স্লিম থাকতে টমেটো
ছিপছিপে থাকতে রোজ টমেটো খাওয়া ভালো। টমেটো ভিটামিন-সি ভরপুর। হা্র্টের স্বাস্থ্য ভালো রাখে। টমেটো বা টমেটোর জুস খেলে কয়েক সপ্তাহের ভেতর কোলেস্টেরলের মাত্রা কমে। হালে এর সঙ্গে যোগ হয়েছে আর একটি তথ্য। তথ্যটি হলো, সম্প্রতি ডেইলি মেল পত্রিকার এক প্রতিবেদনে, টমেটো খেলে বাড়তি ওজন লাঘব হয় বলে দাবি করা হয়েছে। কারণ টমেটোর এমন কিছু যৌগ আছে যেগুলি খিদে বাড়ানোর হরমোনের মাত্রায় পরিবর্তন ঘটায়। খাই খাই ভাবকে দূরে রাখে। ফলে বাড়তি খাওয়ার ইচ্ছা কমে। যদিও এর পেছনে কোন উপাদান সক্রিয় জানা যায় নি। অনুমান লাইকোশেন, যার জন্য টমোটো লাল দেখায় সেই উপাদানের এখানে ভূমিকা আছে।
[ভালো লাগলে শেয়ার করতে ভুলবেন না। পরবর্তী পোস্ট আপনার ওয়ালে নিশ্চিত দেখতে চাইলে লাইক/কমেন্ট দিন]
::Health Tips::
যারা সালাদ ভালোবাসেন তাদের জন্য অত্যন্ত লোভনীয় একটি ছবি! পুষ্টিবিদেরা বলেন, আমাদের প্রতিদিনের ও প্রতিবেলার খাবারের মেনুতে অবশ্যই কিছু কাঁচা খাবার থাকা উচিত। তাহলে চলুন জেনে নেই কেন প্রতিদিন সালাদ খাবেন?
০১.খাবারের শুরুতে বা সাথে নিয়মিত সালাদ খেলে ওজন কমে ও নিয়ন্ত্রণে থাকে। সালাদ খেলে অন্য খাবার কম খেতে ইচ্ছা করে, ফলে কম খাওয়া হয় এবং ওজন কমে|
০২. সালাদ থেকে প্রচুর ফাইবার পাওয়া যায়। এই ফাইবার আমাদের অবশ্যই দরকার হয় খাবার হজম করার জন্যে| তাই সালাদ খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য হয় না ও কোলেস্টেরল কমে| ফাইবার হার্টের অসুখ ও ক্যান্সার প্রতিরোধ করে|
০৩. সালাদ ফল ও সবজির চাহিদা, মানে ভিটামিনের চাহিদা পূরণ করে| এটি থেকে আমরা ভিটামিন ও মিনারেলস–A, C, B6, E, K, carotene, calcium, folate(folic acid), zinc, iron, magnesium, fiber, phytonutrients ইত্যাদি পাই|
০৪. সালাদে প্রচুর এন্টি-অক্সিডেন্ট থাকে। তাই শরীর ফ্রি রেডিকেল দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত হয় না ও শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়|
০৫. সালাদ ত্বকের সৌন্দর্য বাড়ায় বা ত্বক পরিষ্কার রাখে, রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়, কোলেস্টেরল কমায়, হাঁড় শক্ত করে, চোখের জ্যোতি বাড়ায়, মাসেলের শক্তি বৃদ্ধি করে|
ÞÞ>সর্বপরি সালাদ হৃদরোগ, ক্যান্সার, চোখের সমস্যা, কোষ্ঠকাঠিন্য, বার্ধ্যক্য ইত্যাদি প্রতিরোধ সহায়তা করে।
‡‡‡কেমন লাগলো সালাদের এত কাহিনী শুনে? মজার মজার কিন্তু উপকারী এই তথ্য গুলো বন্ধুদেরকে জানাতে পোস্টটি এখনই শেয়ার করুন। আর যারা জেগে আছেন তারা লাইক দিতে ভুলবেন না কিন্তু!‡‡‡
বি+ নাকি B+ ??
কোনটা?
যাই বলুন না কেন এটা রক্তের গ্রুপ নয়, এটা বি+/B+ (চিন্তাধারা)।
আসুন আজ রাতে ঘুমানোর আগে আমরা সবাই শপথ করি আমরা সব কিছু পজেটিভ ভাবব। দেখবেন অনেক ভালো লাগবে।
তাই বি+/B+ যাই হোক আমরা পজেটিভ :)
আরও একটা গাধার বাচ্চা !!!
কবরে জুতা সহ এক সাংবাদিক, একটা মরা মানুষরে শেষ আশ্রয়ের যে সম্মান দিতে পারেনা- পায়ের তলায় একটু ময়লা লাগবে বইলা সে জুতা পরেই কবরে নামছে, এদের আসলেই কোন কমনসেন্স নাই।
এখন উচিৎ ওড়ে এই কবরে চাপা দেওয়া !!
কলিকাতা হারবাল এবং আমাদের লজ্জা (পড়ুন এবং শেয়ার করুন)
লোকাল বাসে মিরপুর ১০ থেকে ফার্মগেইটের দিকে আসছিলাম। বসে ছিলাম জানালার পাশে, কানে হেডফোন লাগিয়ে রেডিও শুনছিলাম। সেনপাড়া পর্বতার সামনে বাস ব্রেক কষতেই অনেকগুলো কাগজ এসে পড়লো কোলের কাছে। চার রঙা প্রিন্টে যাবতীয় যৌন রোগের সমস্যা সমাধানের উপায় সম্বলিত কথামালা দেখেই জানালা দিয়ে লজ্জায় ছুড়ে ফেলে দিলাম। লজ্জা বললাম এই কারনে যে আমার পাশের সীটে মধ্যবয়সী এক মহিলা বসেছিলেন। যখন লিফলেটগুলো হাতে নিয়েছিলাম তখন তার বাঁকা চোখ লক্ষ্য করেছিলাম। এ অবস্থা শুধু ঢাকার জনাকীর্ণ স্থানই নয় সারাদেশেই একই অবস্হা। শুধু তাই নয় লোকাল বাসগুলোর জানালার কাঁচে স্ক্রীন প্রিন্ট করে যৌন রোগের রগরগে বিজ্ঞাপন দেয়া হচ্ছে। যা চোখে পড়ামাত্রই লজ্জায় মাথা অবনত করতে হয়। বিশেষ করে পরিবারের কোন সদস্যের সাথে বাসে উঠলে বিব্রত হতে হয়। এসব কিছু ছাড়িয়ে ড্রয়িং রুম, বেডরুমে হানা দিয়েছে কলিকাতা হারবাল। টেলিভিশনের ক্যাবল অপারেটররা মনে হয় বিশাল অংকের টাকায় চুক্তিবদ্ধ হয়েছে এই হারবাল কোম্পানীর সাথে। বিজ্ঞাপনের জ্বালা থেকে মুক্তি পেতে আমাদের চোখ রাখতে হয় ক্যাবল অপারেটর চালিত ভিডিও চ্যানেলের পর্দায় কিন্তু সেখানে আরো লজ্জা অপেক্ষা করছে। পরিবারের সব সদস্যের সাথে বসে টেলিভিশন দেখা সত্যিই ভয়াবহ লজ্জার ব্যাপারই বটে। যদি একটা ভালো নাটক কিংবা মুভি দেখছি এমন সময় স্ক্রীনের নিচ দিয়ে চলছে অর্শ্বভগন্দর, ধ্বজভঙ্গ, মেহ এবং মেয়েদের যাবতীয় রোগের বর্ননা এবং সমাধানের উপায়।
সবচেয় মজার ব্যাপার হচ্ছে অনুষ্ঠানের মাঝপথে শুরু হয় বিজ্ঞাপন এবং এইসব বিজ্ঞাপনের মডেল আমাদের অতিপরিচিত রুপালী পর্দার মুখ নায়ক অমিত হাসান, খালেদা আক্তার কল্পনা, রীনা খান, ডন, মিজু আহমেদ, জনপ্রিয় টিভি অভিনেতা রিফাত। এরা নাকি সকলেই কলিকাতা হারবালের চিকিত্সা নিয়ে সুস্থ। সত্যিই অবাক হতে হয় এইসব অভিনেতা অভিনেত্রী শুধুমাত্র টাকার জন্য এইসব ভাওতাবাজ প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপনের মডেল হচ্ছে। একজন সচেতন মানুষ কি এইসব হারবালের নিতে যায়? প্রশ্নটা মাথায় খুব ঘুরপাক খায়। এইসব প্রতিষ্ঠানের চিকিত্সায় হেপাটাইটিস বি, লিভার সমস্যা, ক্যান্সার, জটিল ও কঠিন রোগের ১০০ ভাগ গ্যারান্টি দিয়ে চিকিত্সা করা হয়। গ্যারান্টি টা কি সেটা আমার জানা হয় নি।
একাধিকবার স্বর্ণপদক প্রাপ্তঃ কলিকাতা হারবালসহ যে সব হারবাল কোম্পানীগুলো বিজ্ঞাপনে বড় বড় হরফে লিখে দেয় একাধিকবার স্বর্ণপদক প্রাপ্ত। প্রশ্ন হচ্ছে কোন প্রতিযোগীতায় এরা স্বর্ণপদক পায়? নাকি সরকার প্রতিবছর দেশের চিকিত্সা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে চিকিত্সাসেবার জন্য স্বর্ণপদক প্রতিযোগীতা চালু করেছে আর এই প্রতিযোগীতায় অংশ গ্রহনের প্রাথমিক যোগ্যতা অর্জন করতে পারে না, ক্যান্সারের ঔষধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান বীকন, স্কয়ার, ইনসেপ্টা, গ্ল্যাক্সোস্মিথক্লাইন,রেনাটা, এভেন্টিস, বেক্সিমকো, রোস, অপসোনিন, জেনারেল, ওরিয়ন, ড্রাগ ইন্টারন্যাশনাল কিংবা সরকারের নিজস্ব ঔষধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান এসেনশিয়াল ড্রাগস।
পোস্টার কিংবা টিভির সেইসব বিজ্ঞাপনে দেখা যায় তারা পদক গ্রহন করছেন। অদৌ সেইসব মন্ত্রী কি জানেন তারা কাকে এবং কেন পদক কিংবা ক্রেস্ট প্রদান করছেন! এর একটা ব্যাখ্যা আমি দাড় করিয়েছি-
তথাকথিত হারবাল কোম্পানীর মালিকের গ্রামের বাড়ীতে নিশ্চই কিছু কিছু ক্লাব থাকে। প্রথমে তারা সেই ক্লাবকে মোটা অংকের ডোনেট করে। এরপর তারা এলাকার মান্যিগন্যি সংবর্ধনার জন্য একটা বড় ধরনের অনুষ্ঠানের আয়োজন করে এবং ধর্না দিয়ে একজন মন্ত্রীকে প্রধান অতিথি হিসেবে ইনভাইট করে। মোটা টাকা খরচ করলে সবই সম্ভব। সেই মান্যিগন্যি তালিকায় হারবাল কোম্পানীর মালিকও থাকে। মন্ত্রীর হাত থেকে পদক নেয়ার সময় ফটাফট ক্যামেরার ঝলসানি এবং তার প্রিন্ট আউট শোভা পায় কলিকাতা কিংবা যাবতীয় হারবালের পোস্টারে।
বানিজ্য মন্ত্রালয়ের অনুমোদন পাক বা না পাক এগুলো হয়ে যায় লিমিটেড কোম্পানী। কিংবা পাত্তির তোড়ে লিমিটেডের কাগজও যোগাড় হয়ে যায়। যাই হোক আমাদের দেশ বলেই হয়তো অনেক কিছুই সম্ভব, যেমনটা সম্ভব প্রশাসনের নাকের ডগায় ভয়াবহ মিথ্যা প্রচারনা। প্রশাসন কতটা দুর্বল হলে এই ধরনের কর্মকান্ড সম্ভব। অতঃপর বলতে হয়, হায় সেলুকাস! বিচিত্র এই দেশ!!
আসুন এর প্রতিকার করি... cltd
*** এই সুন্দর হাসি যেন মলিন না হয় ***
(সবাই শেয়ার করুন)
০৪ মে ২০১৩ তারিখ থ্যালাসেমিয়ায় আক্রন্ত এই শিশুটির জন্য ১ ব্যাগ A+ রক্ত দরকার।
স্থানঃ রেড ক্রিসেন্ট হাসপাতাল আন্দরকিল্লা চিটাগং।
মোবাইলঃ 01755534135
রক্ত দিতে পারলে উক্ত নাম্বারে ফোন করুন। না পারলে অন্তত শেয়ার করুন।
ডা. এনাম স্যার ।
এই মানুষটাকে অন্তর থেকে সারা জীবনের জন্য শ্রদ্ধা করলেও কম হয়ে যাবে। কথায় আছে, বিপদেই বন্ধুর পরিচয়। ইনিই সেই বন্ধু, ইনিই একজন রিয়েল হিরো। স্যালুট আপনাকে স্যার!
মহান মে দিবসে সকল মেহনতী শ্রমিক ভাই ও বোনদের প্রতি রহিল আমার "শ্রদ্ধা ও ভালবাসা"।
- সেই সাথে আশা করি তারা ন্যায্য অধিকার, পারস্রমিক ও সুযোগ-সুবিধা পাবে।
অকালবার্ধক্য জয়ের পরামর্শ
১. সকালে নিয়মিত নাশতা করা,
২. খাবার তালিকায় নিয়মিত মাছ রাখা,
৩. পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুম,
৪. সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ,
৫. নিয়মিত ব্যায়াম বা হাঁটার অভ্যাস,
৬. দাঁতের যত্ন নেয়া,
৭. ত্বকের যত্ন নেয়া,
৮. প্রচুর পরিমাণে পানি পান করা,
৯. প্রতিদিন তাজা শাকসবজি ও ফলমূল খাওয়া,
১০. অন্যের উপকার করা,
১১. সব সময় ইতিবাচক চিন্তা করা,
১২. মানসিক চাপ মুক্ত থাকা,
১৩. দুঃখকষ্টকে হাসিমুখে বরণ করা,
১৪. কোনো মানুষের ক্ষতি না করা,
১৫. ধর্মীয় গ্রন্থ নিয়মিত পাঠ এবং অনুশীলন।
সুত্র- ইন্টারনেট।
(স্বাস্থ্য তথ্য থেকে নেয়া)
কে কে আছেন অনলাইনে?
এই নিন ১ বক্স ভর্তি রক্ত দান করার অনুপ্রেরণা :)
ইচ্ছা হলে SHARE করুন, না হলে নাই ... শুভরাত্রি।
কাল থেকেই শুরু করুন ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে জলপানঃ
প্রতি সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে জলপান। খুব উপকারী। আজকাল জাপানে খুব জনপ্রিয় এ চর্চা। যেসব রোগে এই জলপান চর্চা কয়েক দিন উপকারী তা-ও বলেছেন বিজ্ঞজনেরা।
ক. উচ্চরক্তচাপ (৩০ দিন), খ. গ্যাস্ট্রিক (১০ দিন) গ. ডায়াবেটিস (৩০ দিন), ঘ. কোষ্ঠ (১০ দিন) আর্থ্রাইটিস প্রথম সপ্তাহ তিন দিন, এরপর দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে প্রতিদিন। এই চিকিৎসার কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। প্রথম দিকে একটু বেশি প্রস্রাব হতে পারে মাত্র।
** জলপান চর্চা কীভাবে করবেন? **
সকালে ঘুম থেকে উঠে দাঁত ব্রাশ করার আগে ১৬০ মিলিলিটার চার গ্লাস পানি পান করুন। (৪:১৬০ মিলিমিটার পরিমাণ জল)
এরপর দাঁত ব্রাশ করুন ও মুখ পরিচ্ছন্ন করুন। তবে ৪৫ মিনিট পর্যন্ত কিছু খাবেন না।
৪৫ মিনিট পর স্বাভাবিক খাওয়া-দাওয়া করুন।
প্রাতঃরাশ, মধ্যাহ্নভোজন ও রাতের খাবারের ১৫ মিনিট পর দুই ঘণ্টা পর্যন্ত কোনো কিছু খাবেন না বা পান করবেন না।
যাঁরা বৃদ্ধ ও দুর্বল এবং সকালে চার গ্লাস পানি পান করতে সমর্থ নন, তাঁরা প্রথমে কম জলপান করে ক্রমেই বাড়াতে বাড়াতে চার গ্লাস পর্যন্ত পানি পান করবেন।
পানি পান করুন এবং থাকুন সক্রিয়, সজীব, সবল ও সুস্থ।
শুধু ঝাল নয় গুণও আছে
আমাদের প্রতিদিনের খাবার তৈরিতে একটি অপরিহার্য উপাদান হচ্ছে মরিচ। ঝাঁঝ আর ঝালের কারণে খাবারের স্বাদ বাড়াতে আমরা মরিচের ব্যবহার করি। ছোট সবুজ এই কাঁচা মরিচ ভিটামিন সি’র বড় উৎস ।
কাঁচা মরিচ একটি কার্যকর এন্টি-অক্সিডেন্ট। যা শরীরের বিভিন্ন প্রয়োজনে অত্যন্ত জরুরি।
ক্যান্সার নিরাময় ও মানসিক অবসাদ কমাতেও মরিচের ভূমিকা রয়েছে।
ত্বকের ক্ষত সারানো, রক্তনালী ও তরুণাস্থি গঠনে ভিটামিন সি সমৃদ্ধ কাঁচা মরিচ প্রয়োজনীয়।
এছাড়াও বর্তমানে আমরা বাড়তি মেদ নিয়ে অনেক বেশি চিন্তিত এবং সচেতন। জানেন কি মরিচে চর্বির পরিমাণ থাকে শূন্য শতাংশ? জিমে গিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ব্যায়াম না করেও শুধুমাত্র কাঁচা মরিচ খেয়ে আমরা শরীরের অতিরিক্ত ফ্যাট কামাতে পারি। কাঁচা মরিচ শুধু খাবারের স্বাদ বাড়ায়না এটি আমাদের শরীরের জন্য অনেক উপকারী। খাওয়ার সময় মরিচের ঝাল স্বাদের কারণে আমদের প্রচুর ঘাম হয়, আর এটি আমাদের জমানো ক্যালোরি পোড়াতে সাহায্য করে।
ঝালের কারণে একে দূরে সরিয়ে রাখবেন না।প্রতিদিন আমাদের খাদ্য তালিকায় অন্তত ১টি কাঁচা মরিচ সঙ্গী হতেই পারে।
(শেয়ার করে বন্ধুদের জানিয়ে দিতে পারেন)
(সংগৃহীত)
পেঁপের রয়েছে নানা গুণ।
একটি ফল পেঁপে, যা মিষ্টি হলেও ডায়াবেটিস
রোগীরা খেতে পারেন।
যাদের পেটে গোলমাল দেখা দেয়, তারা পেঁপে খেতে পারেন।
ক্যালরির পরিমাণ বেশ কম থাকায় যারা মেদ সমস্যায় ভুগছেন
তারা পেঁপে খেতে পারেন অনায়াসে।
এই ফলে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ ও সি আছে।
চোখের সমস্যা বা সর্দিকাশির সমস্যা থাকলে পেঁপে খেতে পারেন,
কাজে দেবে।
যারা হজমের সমস্যায় ভোগেন তারা পেঁপে খেলে উপকার পাবেন। এই
ফলে কোনো ক্ষতিকর উপাদান নেই।
পেঁপেতে আছে পটাশিয়াম। তাই এই ফল রক্তচাপ
নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।
পাশাপাশি হাইপারটেনশন কমায় অনেকখানি। শরীরে থাকা বিভিন্ন
ক্ষতিকর কোলেস্টরলের মাত্রা কমিয়ে দেয় পেঁপে।
নিয়মিত পেঁপে খেলে হূদযন্ত্রের নানা সমস্যা যেমন হার্ট অ্যাটাক ও
স্ট্রোকের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।
যাদের কানে ঘন ঘন ইনফেকশন হয় তারা পেঁপে খেয়ে দেখতে পারেন,
উপকার পাবেন।
পেঁপে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিডেন্টসমৃদ্ধ ফল, তাই ত্বকের লাবণ্য
ও উজ্জ্বলতা ধরে রাখতে সাহায্য করে। রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক
রাখে।
এ ছাড়া পেঁপে আরো নানা গুণের অধিকারী।
প্লিস বন্ধুরা এই গুরুত্বপূর্ণ পিস্ট টি সবার কাছে ছড়িয়া দাও....
LIKE, ও SHARE করতে পারেন বন্ধুদের সাথে।
(Secret Of Girls (মেয়েদের রহস্য) থেকে নেয়া)
পৃথিবীতে আপনি কতো বিচিত্র দৃশ্যই না দেখেছেন কিন্তু আজ দেখে নিন অভূতপূর্ব এক বিচিত্র মানবতা ।
রানা প্লাজার ধংসস্তুপের পাশে সকাল ১০টা থেকে সন্ধা ৬টা পর্যন্ত দাড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে এই মহান দুই তরুনকে ....
দামী দামী ত্রান তহবিল দেওয়ার সামর্থ্য না থাকায় নিজেরা নিজেদের স্বল্প টাকা মোবাইলে লোড করে রানা প্লাজায় দিয়ে গিয়েছিলো ফ্রী কলিং সুবিধা ....
তারা সাহায্য করতে চেয়েছে হতাহতদের ,তাদের আত্নীয়দের এবং সেখানকার উদ্ধারকর্মীদের ...
এঈ বিচিত্র দুই তরুনের প্রতি রইলো বিনম্র শ্রদ্ধা ...